প্রতিদিনের রুটিন
সকালে ও সন্ধ্যায় — দিনে দুইবার করুন
১
পামিং (চোখ শিথিল করা)
⏱ ২ মিনিট — ওয়ার্ম-আপ
ব্যায়াম শুরুর আগে চোখকে শিথিল করুন।
- দুই হাতের তালু ঘষে গরম করুন
- চোখ বন্ধ করে তালু দিয়ে হালকা করে ঢেকে রাখুন
- গভীর শ্বাস নিন, ২ মিনিট এভাবে থাকুন
- কোনো আলো যেন চোখে না আসে সেদিকে খেয়াল রাখুন
২
কনভার্জেন্স এক্সারসাইজ (কাছে-দূরে ফোকাস)
⏱ ৪ মিনিট — মূল ব্যায়াম
দুই চোখকে একসাথে একটা বিন্দুতে ফোকাস করার অভ্যাস তৈরি করে।
- স্ক্রিনের মাঝখানের সবুজ বিন্দুটির দিকে তাকান
- বিন্দুটি আস্তে আস্তে কাছে আসবে (বড় হবে) — দুই চোখ দিয়ে একটাই বিন্দু দেখার চেষ্টা করুন
- যদি ডবল দেখেন, চোখ একটু বিশ্রাম দিন
- "ইন্টারেক্টিভ ব্যায়াম" ট্যাবে গিয়ে এটা প্র্যাকটিস করুন
৩
স্মুথ পারসুট (টার্গেট ট্র্যাকিং)
⏱ ৩ মিনিট — চোখের নড়াচড়া
চলমান বিন্দু অনুসরণ করে চোখের পেশী শক্তিশালী করুন।
- স্ক্রিনে একটা বিন্দু চারদিকে ঘুরবে
- মাথা স্থির রেখে শুধু চোখ দিয়ে বিন্দুটি অনুসরণ করুন
- মসৃণভাবে বিন্দুর সাথে সাথে চোখ চালান
- "ইন্টারেক্টিভ ব্যায়াম" ট্যাবে এটা প্র্যাকটিস করুন
৪
স্যাকেড এক্সারসাইজ (দ্রুত দৃষ্টি পরিবর্তন)
⏱ ৩ মিনিট — সমন্বয়
দুই বিন্দুর মধ্যে দ্রুত দৃষ্টি সরিয়ে চোখের সমন্বয় বাড়ান।
- স্ক্রিনে দুটো বিন্দু দেখাবে — বাম ও ডান দিকে
- বারবার দুই বিন্দুর মধ্যে দৃষ্টি সরান
- মাথা নাড়াবেন না, শুধু চোখ সরান
- "ইন্টারেক্টিভ ব্যায়াম" ট্যাবে এটা প্র্যাকটিস করুন
৫
স্টেরিওগ্রাম (ত্রিমাত্রিক দৃষ্টি)
⏱ ৫ মিনিট — বাইনোকুলার ভিশন
দুই চোখকে একসাথে কাজ করতে শেখায়।
- "ইন্টারেক্টিভ ব্যায়াম" ট্যাবে র্যান্ডম ডট স্টেরিওগ্রাম আছে
- স্ক্রিনের পিছনে তাকানোর মতো করে চোখ রিল্যাক্স করুন
- ধীরে ধীরে একটা ত্রিমাত্রিক আকার ভেসে উঠবে
- প্রথমে কঠিন লাগবে — ধৈর্য ধরুন!
৬
পামিং (কুল ডাউন)
⏱ ৩ মিনিট — শেষ
ব্যায়াম শেষে চোখকে আবার শিথিল করুন।
- প্রথম ব্যায়ামের মতোই হাতের তালু দিয়ে চোখ ঢাকুন
- গভীর শ্বাস নিন ও ছাড়ুন
- ৩ মিনিট চোখ বন্ধ রাখুন
- আস্তে আস্তে চোখ খুলুন